কুয়াকাটা · পটুয়াখালী · বাংলাদেশ
প্রাইভেট অ্যালোকেশন চলছে
বাংলাদেশের প্রথম বিজনেস ট্যুরিজম ভিলেজ
সৈকত এখন আপনার। দিগন্ত থাকুক পরবর্তী প্রজন্মের।
কুয়াকাটার বঙ্গোপসাগরের তীরে ১২২ একরের বিজনেস ট্যুরিজম ভিলেজ—যেখানে সমুদ্রের নিশ্চিন্ত সকাল, পেশাগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর প্রজন্মান্তরের মূল্য একই ঠিকানায়।
উপকূলের এক নতুন ঠিকানা
এটি শুধু রিসোর্ট নয়, শুধু জমির হিসাবও নয়। এটি একটি গ্রাম, যার দীর্ঘ স্মৃতি থাকবে।
সিভাইন ভিলেজ বাংলাদেশের প্রথম বিজনেস ট্যুরিজম ভিলেজ হিসেবে গড়ে উঠছে—যেখানে বঙ্গোপসাগর উঠান, ব্যবসা ও সংস্কৃতি একই পথে চলে, আর প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভেবে।
কুয়াকাটার ১২২ একর জুড়ে এই ভিলেজ হসপিটালিটি, উদ্যোগ, পরিবেশ ও কমিউনিটিেকে একটি মাস্টারপ্ল্যানে একত্র করে—উপকূলকে বদলে নয়, উপকূল থেকেই শেখা।
এখন পর্যন্ত গল্প
একটি সৈকত।
নয়টি জোন।
একটি দীর্ঘ ভাবনা।
কুয়াকাটার আলো, জোয়ার-ভাটা আর মানুষের জীবন থেকে জন্ম নেওয়া মাস্টারপ্ল্যান—ধাপে ধাপে গল্পের মতো করে সাজছে, যার মূল চরিত্র এই উপকূল।

2021
একটি ভাবনার জন্ম।
যেখানে বন আর সমুদ্র মিলেছে, সেই উপকূলে ভাবা হলো অন্য রকম একটি গ্রাম। দেয়ালে ঘেরা রিসোর্ট নয়, প্লটের গ্রিড নয়—যেখানে পর্যটন, উদ্যোগ আর দৈনন্দিন জীবন একসঙ্গে বেড়ে উঠতে পারে।
শুরুটা ছিল একটি প্রশ্ন দিয়ে: একটি গ্রাম উপকূলের কাছে কী ঋণী?

2022
মানচিত্রে একটি রেখা।
১২২ একরের মাস্টারপ্ল্যান সাজাতে আমন্ত্রণ জানানো হলো স্থপতি রফিক আজমকে। জন্ম নিল নয়টি জোন—প্রতিটির নিজস্ব ছন্দ, কিন্তু সবার সঙ্গে একই উপকূল, একই জলব্যবস্থা আর একই দীর্ঘমেয়াদি দায়।
পরিকল্পনা পানির সঙ্গে লড়াই করে না। পানির জন্য জায়গা রাখে।

আজ
একটি গ্রাম তৈরি হচ্ছে।
সিভাইন ধীরে ধীরে জীবন্ত ঠিকানা হয়ে উঠছে—প্রাইভেট বিচ, কাজ করা গ্রামীণ হৃদয়, থাকার, মেলার, খাওয়ার ও জমার জায়গা। লক্ষ্য শুধু সমুদ্রের পাশে নির্মাণ নয়, সমুদ্রের অংশ হয়ে ওঠা।
দিগন্ত এখানে পটভূমি নয়। এটিই ঠিকানা।
মাস্টারপ্ল্যান
নয়টি জোন,
একটি গ্রাম।
প্রতিটি জোনের আলাদা ভূমিকা, কিন্তু কেউ একা নয়। জল গ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে যায়। পরিবেশ ঠিক করে সীমানা। ব্যবসা, সংস্কৃতি, খাবার আর বিশ্বাস একই পথ ভাগ করে নেয়।

02
ইকো
ম্যানগ্রোভের পাশে হাঁটার পথ, দেশি গাছ আর পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য—উপকূল যেন শ্বাস নিতে পারে।

03
বিজনেস
রিট্রিট রুম, কনফারেন্স স্পেস আর সমুদ্রের ধারে কাজের ঠিকানা—শহর থেকে দূরে যেখানে ভাবনা আরও স্পষ্ট হয়।

04
মাছ
কাজ করা অ্যাকুয়াকালচার, টাটকা মাছের রান্নাঘর আর কুয়াকাটার জেলেজীবনের সঙ্গে জীবন্ত সম্পর্ক।

05
গ্রামীণ
হস্তশিল্প, স্থানীয় উদ্যোগ আর দৈনন্দিন জীবনের গ্রামীণ হৃদয়—স্থানীয় অর্থনীতিকে গল্পের অংশ রাখতে সাজানো।

06
সংস্কৃতি
উপকূলের পরিবেশনা, শিল্প আর জীবন্ত ঐতিহ্য—সবার জন্য খোলা জায়গার চারপাশে একত্র।

07
খেলাধুলা
কোর্ট, সাইকেল আর খোলা মাঠের খেলা—ভোরের মানুষ থেকে স্কুল-ফেরত শিশু, সবার জন্য।

09
ইসলামিক
মসজিদ, বাগান আর শান্ত চিন্তার জায়গা নিয়ে একটি নিবিড় আধ্যাত্মিক কোয়ার্টার।
কেন এই উপকূল
উপকূলের পক্ষে
একটি যুক্তি।
পৃথিবীর খুব কম জায়গায় একই সমুদ্রে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়; কুয়াকাটা তার একটি। সেই বিরল ভূগোল যখন সারা বছর ধরে গন্তব্য হয়ে উঠবে, সিভাইন সাজছে সেই মুহূর্তের জন্য।
01
জাতীয় পরিবর্তন।
বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্র একটি সৈকতের বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে। কুয়াকাটার সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের দিগন্ত উপকূলকে দিয়েছে বিরল ও নিজস্ব একটি গল্প।
02
প্যাচওয়ার্ক নয়, মাস্টারপ্ল্যান।
১২২ একর, নয়টি জোন আর একজন স্থপতির নেতৃত্বে একটি ভিশন। অবকাঠামো, জল ও খোলা জায়গা একসঙ্গে পরিকল্পিত—প্লট বিক্রির পরে জোড়া লাগানো নয়।
03
একটি কাজ করা গ্রাম।
ব্যবসা, হসপিটালিটি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ একে অন্যকে শক্তি দেবে—যাতে ছুটির মৌসুমের বাইরেও ঠিকানাটির প্রাণ থাকে।
04
প্রজন্মান্তরের দিগন্ত।
পরিকল্পনার পক্ষপাত ধৈর্যের দিকে—স্থায়ী অবকাঠামো, সৎ কাগজপত্র আর বিক্রয়চক্রের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী তত্ত্বাবধান।

স্থপতি রফিক আজমের নকশায়
যেখানে মাস্টারপ্ল্যানের
কেন্দ্রে থাকে সৈকত।
গ্রামটি ভাবা হয়েছে নয়টি জোনের নেটওয়ার্ক হিসেবে—জল, হাঁটার পথ আর খোলা জায়গা দিয়ে সংযুক্ত। ভবনগুলো হালকা করে বসে। সৈকতের চেতনা সবার। বনের সীমানা সুবিধার জন্য পরিষ্কার নয়, সম্পদ হিসেবে সুরক্ষিত।
উপকূল
যেখানে
পৌঁছানো যায়।
কুয়াকাটা এই গ্রামের পটভূমি নয়। এটিই গ্রামের কারণ।





অ্যাকুইজিশন টিয়ার
আপনার লক্ষ্যকে
ঘিরে সাজানো।
আমরা দাম প্রকাশ করি না। অ্যালোকেশন নির্ভর করে অবস্থান, সময় এবং আপনার পরিবার বা প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত কাঠামোর ওপর। প্রতিটি আলাপ শুরু হয় ব্যক্তিগতভাবে।
প্রবেশ
এক্সিকিউটিভ
প্রাইভেট অ্যালোকেশন
- নিবেদিত বিনিয়োগ উপদেষ্টা
- গাইডেড সাইট ভিজিট
- কাগজপত্র পর্যালোচনা সহায়তা
- পেমেন্ট কাঠামো আলোচনা
বিনিয়োগঅনুরোধে
সিগনেচার
সিগনেচার
প্রাইম পজিশন
- অগ্রাধিকার জোন নির্বাচন
- বিস্তৃত ব্যক্তিগত পরামর্শ
- ফ্যামিলি অফিস পরিচিতি
- হসপিটালিটি প্রিভিউ অ্যাক্সেস
বিনিয়োগঅনুরোধে
আমন্ত্রণে
রয়্যাল
বেসপোক কাঠামো
- সম্পূর্ণ জোন আলোচনা
- কাস্টম কাঠামো
- মাস্টারপ্ল্যান পরামর্শ
- দীর্ঘমেয়াদি তত্ত্বাবধান
বিনিয়োগঅনুরোধে
সব অ্যালোকেশন উপলব্ধতা, যাচাই ও চূড়ান্ত কাগজপত্রের শর্তসাপেক্ষ। এই পেজের কোনো কিছুই অফার বা মুনাফার নিশ্চয়তা নয়।
ব্যক্তিগত অ্যালোকেশন
আপনার অ্যাকুইজিশন
শুরু করুন।
আপনি কী খুঁজছেন তা আমাদের জানান। একজন বিনিয়োগ উপদেষ্টা এক কার্যদিবসের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করবেন—অ্যালোকেশন, বর্তমান বিনিয়োগ কাঠামো এবং ব্যক্তিগত উপস্থাপনার তথ্য নিয়ে।
- 01 আপনার তথ্য দিন সংক্ষিপ্ত ও গোপনীয় পরিচিতি।
- 02 উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন আপনার লক্ষ্য ও সময়সূচি নিয়ে ব্যক্তিগত আলাপ।
- 03 পরিদর্শন ও যাচাই জমি দেখুন, কাগজপত্র যাচাই করুন, নিশ্চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।
বিনিয়োগ জিজ্ঞাসা
একটি ব্যক্তিগত আলাপ, কোনো বিক্রয় চাপ নয়।
দীর্ঘ দৃষ্টি
ধৈর্যশীল
বিনিয়োগকারীর জন্য।
সিভাইন দ্রুত হাতবদলের জন্য নয়। এটি বাস করার, বারবার ফিরে আসার আর পরবর্তী প্রজন্মের কাছে রাখার জন্য। তিনটি নীতি আমাদের মূল্য ভাবনাকে পথ দেখায়।
“উপকূলই সম্পদ। প্রতিটি সিদ্ধান্ত শুরু হয় সৈকত কী বহন করতে পারে—আর কী থেকে তাকে রক্ষা করতে হবে, সেই ভাবনা দিয়ে।”
সিভাইন ডিজাইন ব্রিফনীতি 01
“মাস্টারপ্ল্যানই ডিউ ডিলিজেন্স। এই শৃঙ্খলাই নয়টি জোন, হাজারো ভিজিট আর একটি নাজুক উপকূলকে ভারসাম্যে রাখে।”
মাস্টারপ্ল্যান নোটনীতি 02
“সময়ও প্রোগ্রামের অংশ। আমরা দ্বিতীয় প্রজন্মের কথা ভাবি, দ্বিতীয় প্রান্তিকের নয়।”
বিনিয়োগ দর্শননীতি 03
প্রশ্নের উত্তর
যা জানা
প্রয়োজন।
আপনার প্রশ্নের উত্তর না থাকলে উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন। আমরা সাজানো বিক্রয় বক্তৃতার চেয়ে সৎ আলাপকে বেশি গুরুত্ব দিই।
সিভাইন ভিলেজ কী?
সিভাইন ভিলেজ কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরের তীরে ১২২ একরের একটি মাস্টার-প্ল্যানড বিজনেস ট্যুরিজম ভিলেজ। এখানে নয়টি ট্যুরিজম জোন, প্রাইভেট বিচ, হসপিটালিটি, ব্যবসা, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি জীবনের জায়গা একসঙ্গে পরিকল্পিত।
এটি কোথায় অবস্থিত?
কুয়াকাটা, পটুয়াখালী, বাংলাদেশ। সাইটটি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত—দুই দিক থেকেই কুয়াকাটার সৈকতের কাছে, প্রায় ১.৫ কিলোমিটার প্রাইভেট বিচসহ।
কে এই প্রকল্প গড়ছে?
সিভাইন প্রপার্টিজ লিমিটেড, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত। মাস্টারপ্ল্যানের প্রধান স্থপতি রফিক আজম। প্রকল্পটি সরকারের ট্যুরিজম ভিলেজ উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ভাবা হয়েছে।
মোট কতটি জোন আছে?
নয়টি: জল, ইকো, বিজনেস, মাছ, গ্রামীণ, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, খাবার ও ইসলামিক। প্রতিটি জোনের আলাদা ভূমিকা থাকলেও সেগুলো জল, পথ ও খোলা জায়গা দিয়ে সংযুক্ত।
বিনিয়োগের মূল্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায় না কেন?
আমরা পাবলিক প্রাইস লিস্ট প্রকাশ করি না। অবস্থান, সময়, অ্যালোকেশন ও কাঠামো ভেদে শর্ত বদলায়। যোগ্যতার সংক্ষিপ্ত আলাপের পর ব্যক্তিগতভাবে বিস্তারিত জানানো হয়।

ব্যক্তিগত পরিচিতি
সিদ্ধান্তের আগে
উপকূল দেখে আসুন।
একটি আলাপ, একটি সাইট ভিজিট আর স্পষ্ট কাগজপত্র। কোনো চাপ নয়, প্রকাশ্য দাম নয়, আর এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নয় যা আমরা রাখতে পারি না।

