প্রশ্নের উত্তর
যা জানা
প্রয়োজন।
আপনার প্রশ্নের উত্তর না থাকলে উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন। আমরা সাজানো বিক্রয় বক্তৃতার চেয়ে সৎ আলাপকে বেশি গুরুত্ব দিই।
সিভাইন ভিলেজ কী?
সিভাইন ভিলেজ কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরের তীরে ১২২ একরের একটি মাস্টার-প্ল্যানড বিজনেস ট্যুরিজম ভিলেজ। এখানে নয়টি ট্যুরিজম জোন, প্রাইভেট বিচ, হসপিটালিটি, ব্যবসা, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি জীবনের জায়গা একসঙ্গে পরিকল্পিত।
এটি কোথায় অবস্থিত?
কুয়াকাটা, পটুয়াখালী, বাংলাদেশ। সাইটটি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত—দুই দিক থেকেই কুয়াকাটার সৈকতের কাছে, প্রায় ১.৫ কিলোমিটার প্রাইভেট বিচসহ।
কে এই প্রকল্প গড়ছে?
সিভাইন প্রপার্টিজ লিমিটেড, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত। মাস্টারপ্ল্যানের প্রধান স্থপতি রফিক আজম। প্রকল্পটি সরকারের ট্যুরিজম ভিলেজ উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ভাবা হয়েছে।
মোট কতটি জোন আছে?
নয়টি: জল, ইকো, বিজনেস, মাছ, গ্রামীণ, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, খাবার ও ইসলামিক। প্রতিটি জোনের আলাদা ভূমিকা থাকলেও সেগুলো জল, পথ ও খোলা জায়গা দিয়ে সংযুক্ত।
বিনিয়োগের মূল্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায় না কেন?
আমরা পাবলিক প্রাইস লিস্ট প্রকাশ করি না। অবস্থান, সময়, অ্যালোকেশন ও কাঠামো ভেদে শর্ত বদলায়। যোগ্যতার সংক্ষিপ্ত আলাপের পর ব্যক্তিগতভাবে বিস্তারিত জানানো হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিনিয়োগ করতে পারেন?
হ্যাঁ, এনআরবি বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদা অ্যালোকেশন আলাপ রয়েছে। প্রযোজ্য নিয়ম, কাগজপত্র ও রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া নিয়ে আমাদের উপদেষ্টা দল পথ দেখায়।
সাইট ভিজিট কীভাবে করব?
যোগাযোগ ফর্ম বা সরাসরি ফোন/হোয়াটসঅ্যাপে সময় ঠিক করুন। আমাদের দল ঢাকা অফিসে আলাপ এবং কুয়াকাটায় গাইডেড সাইট ভিজিট—দুইভাবেই সহায়তা করে।
মালিকানা ও অনুমোদন কীভাবে যাচাই করব?
যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে জমির দলিল, প্রযোজ্য অনুমোদন ও প্রকল্প-সংক্রান্ত কাগজপত্র স্বাধীনভাবে যাচাই করার জন্য আমরা উৎসাহিত করি। আমাদের দল ডকুমেন্ট রিভিউ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
মুনাফার নিশ্চয়তা আছে?
না। কোনো বিনিয়োগে মুনাফার নিশ্চয়তা নেই। সিভাইন ভিলেজ একটি দীর্ঘমেয়াদি উপকূলীয় প্রকল্প; অতীত বা সম্ভাব্য রিটার্নের কোনো প্রতিশ্রুতি আমরা দিই না।

ব্যক্তিগত পরিচিতি
সিদ্ধান্তের আগে
উপকূল দেখে আসুন।
একটি আলাপ, একটি সাইট ভিজিট আর স্পষ্ট কাগজপত্র। কোনো চাপ নয়, প্রকাশ্য দাম নয়, আর এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নয় যা আমরা রাখতে পারি না।